ভারত বার্তা অনলাইন ডেস্ক: দেশের পাশাপাশি রাজ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের সংখ্যা। সেই সাথে আকাল দেখাা দিয়েছে হাসপাতালের বেড এর এবং এর পাশাপাশি করোনা ভ্যাক্সিনেরও আকাল দেখা দিয়েছে। চলতি বছরে দ্বিতীয় ঢেউ এ একেবারে নাজেহাল হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ থেকে চিকিৎসকরা।
অতিমারী করোনার বর্তমান ভয়াবহতা দেখে সরকারের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে যে গত বারের থেকেও দ্বিতীয় ঢেউ এর জেরে হয়ত বাড়াতে হতে পারে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বেড। সেক্ষেত্রে এই জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে সরকার এবং চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে নেওয়া হল এক বিশাল সিদ্ধান্ত।
এই মুহূর্তে করোনা পরিস্থিতির দিকে চোখ রেখে স্থগিত রাখা হল কম জরুরি অস্ত্রপোচার। রাজ্য সরকারের সাথে জরুরি বৈঠকে অংশ নেয় রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সেই বৈঠকের পর বেসরকারি হাসপাতাল কর্তিপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় যে, যে সব রোগীর এই মুহূর্তে অস্ত্রপোচারের দরকার নেই তাদেরকে এই মুহূর্তে স্থগিত রাখা হবে।
এছাড়াও এই মুহূর্তে রাজ্য সরকার সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে বেডের সংখ্যা সাত থেকে আট হাজার মত করতে চাইছে। প্রথম করোনা ঢেউ এর সময় রাজ্যে সরকারি হাসপাতাল গুলিতে করোনা বেডের সংখ্যা ছিল সাড়ে পাঁচ হাজারের মত। সেক্ষেত্রে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।
এছাড়াও রাজ্যের সমস্ত বড় বড় অনুষ্ঠান বাড়ি এবং হোটেল গুলিকে কোভিড হাসপাতাল বানানোর কথা ভাবছে সরকার। ২১ শে এপ্রিল থেকে রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রপোচার বন্ধ রাখার সাথে সাথে সাধারণ রুগীদের বাড়ি পাঠিয়ে দেবার কথা ভাবা হচ্ছে এবং ওপিডি কে হাসপাতাল থেকে বার করে কাছেই কিন্তু একটু আলাদা করে দেওয়ার দিকে নজর দিচ্ছে সরকার।

0 Comments