ভারত বার্তা অনলাইন ডেস্কঃ রাজ্যে একুশের বিধানসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে প্রায় দুই মাস হল। কিন্তু করোনাকালের মধ্য দিয়ে নির্বাচন হওয়ায়, অনেক প্রার্থী করোনা সংক্রমণে মারা গিয়েছেন। সেইসব বিধানসভা কেন্দ্র গুলিতে ফের উপনির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও সংশয় রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর গদি নিয়ে। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এককালীন তৃণমূলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী, তবে বর্তমানে তিনি বিজেপি বিধায়ক। নন্দীগ্রামে তার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু নন্দীগ্রামে জয়লাভ করতে পারেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তৃণমূল নেত্রী জয় লাভ করতে না পারলেও গোটা রাজ্যে পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
![]() |
| ছবিঃ ফেসবুক |
যার ফলে, তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ গ্রহণ করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে নিয়ম অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে তাকে উপনির্বাচনে লড়ে জয়লাভ করতে হবে। তা না হলে মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকে সরে যেতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেজন্যই উপনির্বাচন নিয়ে বেশ চিন্তিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কারণ বিজেপি আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, করোনা কালের মধ্য দিয়ে উপনির্বাচন চায় না তারা। এরই জন্য মুখ্যমন্ত্রীর গদি নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে উপনির্বাচনের সবুজসংকেত মিলেছে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, দৈনিক করোনা সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসায় বাকি থাকা ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে বলেই জানিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উপ নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশন জানতে চাই, মানস ভুঁইয়া ও দীনেশ ত্রিবেদী ইস্তফা দেওয়ায় রাজ্যসভার দুটি আসন ফাঁকা রয়েছে। ওই দুটি আসনে নির্বাচন নিয়ে অবস্থান জানতে চায় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, আগামী দিনে ওই দুটি আসনে বসতে পারেন মুকুল রায় এবং যশোবন্ত সিনহা।
![]() |
| ছবিঃ ফেসবুক |
নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপনির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্র কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। এছাড়া উপনির্বাচনের জন্য সাত দিন সময় চেয়ে ছিলেন প্রচার করার জন্য। তবে অবশেষে সবুজ সংকেত মেলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। নবান্ন সূত্রে খবর, নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ছয় মাসের মধ্যেই উপনির্বাচন হতে চলেছে। যার কারণে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জানিয়ে রাখি, মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জ এর প্রার্থী করোনা সংক্রমনের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন। সেই কারণে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ও সামশেরগঞ্জ ছাড়াও দিনহাটা, খড়দহ, শান্তিপুর ও গোসাবা এবং ভবানীপুর এই ৭ টি বিধানসভা কেন্দ্রে খুব শীঘ্রই উপনির্বাচন হবে বলে জানা যাচ্ছে।


0 Comments